Ultimate magazine theme for WordPress.

এ দুই গ্রাম পুলিশের খুটির জোর কোথায়? কে দিয়েছে এদের মদ খাওয়ার লাইসেন্স।

270

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার পিরব ইউপির সিহালী উত্তর পাড়ার আব্দুল আজিজের ছেলে রাজু মিয়া পবিত্র রমজানের কয়েক দিন পূর্বে পেটে গ্যাস ব্যাথার জন্য আটমূল বাজারের শ্রী বিপুলের ঔষধের দোকানে ঔষধ নিতে গিয়ে দেখতে পায় না্দুরা ৮ন ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ রায়হান আলী এবং ৯নং ওয়ার্ড আটমূলের গ্রাম পুলিশ শ্রী সুনীল এরা ‍দু-জন বিপুলের ঔষধের দোকানের ভিতরে একটি বাংলা মদ সেবন করছে। এমতবস্থায় দুই গ্রাম পুলিশ রাজুকে দেখতে পেয়ে বলে তোমার নামে গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট রয়েছে। এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে রাজুর দু-হাত রশি দিয়ে বেধে ফেলে। তারপর রাজুর পকেটে রায়হান হাত দিয়ে ২৪৫০ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর হাত বাধা অবস্থায় থানায় নিয়ে যাবে বলিয়া আটমূল ইউনিয়নের আতাহার গ্রামের ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত যাবার পর বলে যে আমাদের টাকা দিলে তোমাকে ছেড়ে দিবো বিপদে পড়িয়া আমি রাতের মধ্যেই আমার পালিত একটি খাশি বকরি ৬০০০টাকা বিক্রি করিয়া রাতেই সুনীল ও রায়হানকে ৬০০০টাকা দিয়ে দেয়। তারপর আমার হাতের রশি খুলিয়া দেয়। এ ব্যাপরে রায়হান চৌকিদারের সাথে মঠোফোনে কথা হলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এবং আটমূল ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত অফিসার এস আই শহিদ এর সাথে মঠোফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার কিছুই অবগত নন বলে জানান। ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর হোসেনের সহিত মঠোফোনে কথা হলে তিনি ঘটনার বিষয় এরিয়ে যান। এ বিষয়ে ভিক্টিম রাজু মিয়া প্রশাসনের কাছে সুষ্ট ভাবে তদন্ত করিয়া সত্যতা প্রমান করে এদেরর দু-জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। অনতি বিলম্বে এ দুই নেশা খোর গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্ততি চলছে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.