Ultimate magazine theme for WordPress.

কালিগঞ্জের পল্লীতে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছে ফরজ আলী

645

 মাসুদ পারভেজ বিশেষ প্রতিনিধিঃ কালিগঞ্জে প্রতিবেশীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেছে এলাকার বহুল বিতর্কিত ফরজ আলী (৪৬)। সে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের আরশাদ আলী গাজীর পুত্র। সরেজমিন ও থানা পুলিশ সুত্রে জানাগেছে, রবিবার (২৮ জুলাই) রাত আনুঃ ৮ টায় উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র ভাটা শ্রমিক আইজুল ইসলাম (৩৩) এর বাড়ীতে ডিবি পুলিশ অভিযান চালায়। অভিযোগ তাঁর ঘরে ১শ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট রয়েছে। স্থানীয় ফরজ আলীর দেওয়া তথ্যমতে ডিবি পুলিশের চৌকস দল আইজুলের ঘরে ব্যাপকভাবে তল্লাসী চালায় কিন্তু কোথায়ও ইয়াবা’র সন্ধান না পেয়ে ইয়াবার খবরদাতা ফরজ আলীকে আটকপুর্বক জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঐ ঘরের ছাউনীর নিচে ছামিয়ানার উপর থেকে পৃথক দুটি প্যাকেটে ১শ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে। ডিবি পুলিশের অভিযানের সংবাদে শত শত নারী পুরুষ এ সময় উপস্থিত হয়। সকলের সন্মুখে ফরজ আলীর ইয়াবার নাটকের মুখোশ উন্মোচন হতে থাকে। সেই মোবাইল করে ডিবি পুলিশকে কল্পিত ও সাজানো ইয়াবা উদ্ধারের জন্য খবর দেয় এবং প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গিয়ে এখন পুলিশের খাঁচাই বন্দী। অভিযানকালে ঐ রাতেই পুলিশ একই গ্রামের আকবর আলীর পুত্র আতিয়ার রহমান, ছেফাতুল্যাহ গাজীর পুত্র এলোম গাজী ও ছামসুর রহমান গাজীর পুত্র মিজানুর রহমান গাজীকে আটক করেন। পরে তাদেরকে নিকটজনদের কাছে ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানাগেছে। এদিকে আটককৃত ফরজ আলীর শাস্তির দাবীতে স্থানীয় শত শত নারী পুরুষের অংশগ্রহনে সোমবার (২৯ জুলাই) সকাল ১০ টায় উত্তর রঘুনাথপুর মোড়ে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, ফারুক হোসেন ও মজিদা খাতুন বক্তব্য রাখেন। বক্তাগন বলেন ফরজ আলীর এলাকার একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী, মামলাবাজ, চাঁদাবাজ ও বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী। সে রঘুনাথপুর, রহমতপুর, মানপুর, কালিকাপুর, হোসেনপুর সহ বিভিন্ন এলাকার নিরীহ মানুষকে মামরায় জড়িয়ে ও নানান রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় করে আসছে। অসংখ্য মানুষকে তুচ্ছ ঘটনায় মারপিট করা তাঁর স্বভাবে পরিনত হয়ে গেছে। সে রঘুনাথপুর গ্রামের জলিল তরফদারের স্ত্রী মজিদাকে ০৬/০৫/১৯ তারিখে মারপিট করে হাড়ভাঙ্গা যখম করে। এমনিবাবে অসংখ্য অভিযোগ করেন তার বিরুদ্ধে। হিংস্র ও মামলাবাজ বলেই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায়না ভুক্তভোগীরা। ঘটনার স্বীকার করেছেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হাসান হাফিজুর রহমান।

Leave A Reply

Your email address will not be published.