Ultimate magazine theme for WordPress.

কোম্পানীগঞ্জে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্ণীতির অভিযোগ, অপসারনের দাবীতে দেয়ালে লিফলেট

2,115

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিলের বিরুদ্ধে দুর্ণীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছে স্থানীয় ঠিকাদাররা। এ নিয়ে স্থানীয় ঠিকাদার ও উপজেলা কর্মকর্তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নানা উত্তেজনা। যার প্রেক্ষিতে সোমবার সিডিউল কেনার দিনে উপজেলা পরিষদে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসা প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিলের দুর্ণীতি ঠেকাতে এবং তার হাত থেকে রক্ষা পেতে মাঠে নেমেছে স্থানীয় ঠিকাদারবৃন্দ। উর্ধ্বতন অফিসারদের দুয়ারে গিয়েও কোন সহযোগীতা না পেয়ে রবিবার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের বিভিন্ন জায়গায় দুর্ণীতিবাজ প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিলের অপসারণের দাবী জানিয়ে লিফলেট লাগিয়েছে ঠিকাদারবৃন্দ ও পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সদস্যবৃন্দ।

 

এদিকে ঠিকাদারদের এক বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, রাস্তার কাজের পাশাপাশি সরকারী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিলকে ৫০-৬০% হারে টাকার বড় অংক ঘুষ না দিলে কাজের বিল পায় না ঠিকাদাররা। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঐ দাবী ৯০% ও হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এক্ষেত্রে দাবীকৃত টাকা না দিতে পারলে বিল পাশ করা হয় না। জানতে চাইলে ঠিকাদারদের অবমূল্যায়ন ও তাদের সাথে অশোভন আচরণ করেন এ প্রকৌশলী। উপায়ন্তর না দেখে অগ্রিম চেকের মাধ্যমে বড় অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে কাজের বিল পেতে হয় ঠিকাদারদের। এধরনের অপকর্ম তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে করে আসছেন বলে অনেকের অভিযোগ।

 

প্রকৌশলী ইব্রাহীম খলিলের অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিষয়ে স্থানীয় ঠিকাদার মোতালেব জানান, কাজ করে যে টাকা আমাদের লাভ হয়, তার বেশি অতিরিক্ত টাকা ঘুষ দিয়ে কাজের বিল নিতে হয়। তা নাহলে দিনের পর দিন কোন বিল পাওয়া যায় না।

 

ঠিকাদাররা জানান, প্রকৌশলীর দুর্ণীতি ও অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদাররা বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এবং উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে জানানোর পর তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ঠিকাদাররা উর্ধ্বতন কয়েকজন অফিসার ও জেলা নেতৃবৃন্দের দুয়ারে গিয়েও কারো সান্নিধ্য পাননি।

 

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকোশলী ইব্রাহীম খলিল ঘুষ নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, কাজের বিল তিনি দেন না, বিল দেয়া হয় জেলা অফিস থেকে। তিনি কাজের বিল তৈরী করে জেলা অফিসে পাঠান। কোন ঠিকাদারের কাজের ভূল থাকলে ওই ক্ষেত্রে পরবর্তীতে কাজের সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিল দেয়া হয় না। দু একজন যাদের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে তারা হয়তো অভিযোগ করেছেন বলে তার দাবী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.