Ultimate magazine theme for WordPress.

খড়ের গাদা ও আগাছায় ঢাকা পরছে বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকীর স্মৃতি

26

মেহেদী হাসান জুয়েল শিবগঞ্জ, বগুড়া। ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী ছিলেন প্রফুল্ল চাকী। প্রফুল্ল চাকী ১০ই ডিসেম্বর, ১৮৮৮ সালে বগুড়া জেলার বিহারে জন্মগ্রহণ করেন। এই বাঙালি বিপ্লবী তৎকালীন ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং ২ মে, ১৯০৮সালে জীবন বিসর্জন করেন।

যে মানুষটি আমাদের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে নিজের জীবনটা পর্যন্ত বিসর্জন দিয়ে দিলেন। তাকে কি মনে রেখেছি আমরা। তাকে স্বরণ রাখার জন্য কি পদক্ষেপ নিয়েছি আমরা?
সরেজমিনে, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার গ্রামে গিয়ে দেখা যায় তার স্মৃতি বলতে শুধুমাত্র একটি ভাষ্কর্য অবশিষ্ট আছে, সেটিও অযত্নে অবহেলায়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে যানা যায় ” এখানে প্রফুল্য চাকীর নামে পাঠাগার আছে যা শুধু কাগজ কলমেই বিদ্যামান।” পাঠাগারের নামে যে ঘরটি ব্যবহার করা হতো সেটি এখন পরিত্যক্ত ময়লার স্তুপ, নেই দরজা। উপরেন টিনেরচালাটিও নষ্ট, বৃষ্টিতে পানি পরে। কথিত আছে এই ঘরটি একসময় ইউনিয়ন পরিষদের কাজে ব্যবহৃত হতো পরে তা পাঠাগার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু বর্তমানে পাঠাগারে নেই কোন বই, নেই কোন আসবাবপত্র।
পাঠাগারের সামনে প্রফুল্য চাকীর যে ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়েছে তার চারপাশে বৃষ্টির পানি জমে আছে, আগাছায় পরিপূর্ণ, আছে খড়ের গাদা, চড়ছে ছাগল, সীমানা প্রাচীর থাকলেও নেই কোন দরজা, ভেতরে বসেছে লুডু খেলার আসর।
এলাকার স্থানীয় শিক্ষিত সমাজ প্রফুল্ল চাকীর নামে এই পাঠাগারটি পুনরায় চালু এবং তার স্মৃতি সংরক্ষণের দাবী জানায়।
এলাকার শিক্ষার্থীরা জানায় ” পাঠাগার টি চালু হলে অনেকেই বই পড়ার সুযোগ পাবে এবং যা অনেকের পক্ষে বই কিনে পড়ার অসুবিধা ও অক্ষমতা দুর করবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.