Ultimate magazine theme for WordPress.

ছাত্রীদের ধ’র্ষণ করতেন নারায়গঞ্জের সেই মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর

408

ডেস্ক :ছাত্রী নিপীড়নের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ ভুঁইগড়ের মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে ছাত্রী নিপীড়নের আরো ভয়াবহ তথ্য। গ্রেপ্তারকৃত দারুল হুদা আল ইসলামিয়া মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পাঁচ শিশুসহ ছয়জনকে একাধিকবার ধ’র্ষণ এবং আরও পাঁচটি শিশুকে ধ’র্ষণের চেষ্টা ও নিপীড়নের অভিযোগ এসেছে র‍্যাবের কাছে।শিশুশিক্ষার্থীদের তিনি বোঝাতেন শিক্ষকের সঙ্গে সফর করা শিক্ষার্থীদের কর্তব্য।এভাবে শিশুছাত্রীদের নিয়ে যেতেন মাদ্রাসার বাইরে। নিয়ে যেতেন হোটেলে বা লঞ্চের কেবিনে। সেখানে ধ’র্ষণ করতেন তাদের। ওই অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তারের পর পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এ কথা জানিয়েছে র‍্যাব।গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র‌্যাব-১১ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন র‍্যাব-১১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী শামশের উদ্দিন।র‍্যাবের কর্মকর্তারা জানান, অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রীও ওই মাদ্রাসার শিক্ষক। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে তিনি মাদ্রাসাতেই থাকতেন। এর মধ্যেই তিনি শিশুদের একের পর এক নিপীড়ন করেছেন।অধ্যক্ষের নিকটাত্মীয় আট বছরের একটি শিশুও তার নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব কর্মকর্তারা।র‌্যাবের কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন বলেন, অধ্যক্ষ শিশুদের নিজের কক্ষে নিয়ে যেতেন। সেখানে নিয়ে তিনি মুখ চেপে ধরে ধ’র্ষণ করেছেন একাধিক শিশুকে। চিৎকার করলে কয়েকজনকে মা’রধরও করেছেন। অধ্যক্ষ মনগড়া কিছু ব্যাখ্যা দিয়ে সেগুলোকেই ধর্মীয় বাণী হিসেবে শিশুদের মধ্যে প্রচার করতেন। গত তিন বছরে এভাবে পাঁচ শিশুসহ ছয়জনকে ধ’র্ষণ এবং পাঁচ ছাত্রীকে ধ’র্ষণের চেষ্টা ও নিপীড়ন করেছেন। তার নির্যাতনের শিকার শিশুদের বয়স ৮ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। এ ছাড়া মনগড়া ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়ে বিয়ের নামে এক নারীর সঙ্গে যৌ’ন সম্পর্ক করেছেন, পরে আবার নিজের ব্যাখ্যা দিয়ে তালাক বলে বিদায়ও করে দিয়েছেন।র‌্যাবের হেফাজতে থাকা অবস্থায় অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বলেন, শয়তানের তাড়নায় তিনি এসব অনৈতিক কাজ করেছেন।এর আগে গত ২৭ জুন ২০ ছাত্রীকে ধ’র্ষণ, নিপীড়ন ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সিদ্ধিরগঞ্জের অক্সফোর্ড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক আরিফুল ইসলাম। এরপর ৪ জুলাই এক ছাত্রীর অভিভাবকের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সদর উপজেলার মাহমুদপুর এলাকায় বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১। পরে তার বিরুদ্ধেও একাধিক শিশুকে ধ’র্ষণ ও নিপীড়নের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

সূত্র :আমাদের সময়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.