Ultimate magazine theme for WordPress.

ধেয়ে আসছে মোরা, উপকূলীয় অঞ্চলগুলো সহ নোয়াখালীতে ব্যাপক প্রস্তুতি

977

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন। এই উপলক্ষ্যে এক বিশেষ সভা সোমবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব আলম তালুকদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিক উক্ত সভায় সরকারি সব দফতরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলার সব উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে সোমবার সন্ধ্যার আগেই নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে সকল উপজেলা প্রশাসনকে এই নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসক।

জানা গেছে, এরই মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চল হাতিয়া, সুবর্ণচর, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সমস্ত মানুষকে নিরাপদে আশ্রয় ও ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় মাইকিংসহ বর্তমানে সচেতনামূলক মিটিং করা হচ্ছে। জেলার ২৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলার সকল উপজেলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। সাগরে মাছধরা অবস্থায় সমস্ত ট্রলার গুলোকে উপকূলে ফিরে আসতে জরুরি নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আশ্রয়কৃতদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ব্যবস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন জরুরি ভিত্তিতে খোলা হয়েছে একটি কন্ট্রোল রুম। জরুরি মুহূর্তে বিতরণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত ত্রাণ। স্থানীয় পর্যায়ে সকল স্তরের জনপ্রতিনিধিকে ঝুঁকি মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র কারণে জেলা ও উপজেলার প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব আলম তালুকদার বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ মোকাবেলায় প্রশাসন সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং বিপদকালীন জরুরি মুহূর্তের সকল স্তরের লোকজনকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে কিছুটা উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ছাড়াও উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং জেলাগুলোর অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

 

সূত্র: মানবকণ্ঠ

Leave A Reply

Your email address will not be published.