Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ার-শিবগঞ্জ বড়িয়াহাটে সেকেন্দার ফকির-জ্বীনের বাদশা জয়নাল বাবা !

352

 

কনক দেব-নুরুনবী রহমান নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বগুড়ার শিবগঞ্জের বড়িয়াহাটের কুকি কালিদাসপুরের জীবনপুর গ্রামের নমির মোল্লার ছেলে সেকেন্দার ফকির ওরফে (জ্বীনের বাদশা জয়নাল বাবা) নামে এক প্রতারক দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতারণা করে আসছে বলে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গ্রামবাসী সূএে জানা যায়ঃ সে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন মানুষের সাথে জ্বীন পরী আছে এবং সেকেন্দার ফকির এর কাছে যে জ্বীন থাকে তার নাম জয়নাল বাবা জ্বীন! ঘরের মধ্যে টাকার ডাবর, বড়লোক ছেলের সাথে মেয়ে বিয়ে দিয়ে প্রতারনা করে টাকা আদায় বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা সহ অভিনব ভাবে প্রতারনা করে আসলেও জ্বীনের বাদশা সেকেন্দার ফকির এর পাড়া-পড়শীর জানায় মাঝেমধ্যে দূরদূরান্ত থেকে মাইক্রো কার মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন আসতে দেখা যায় তবে আমরা প্রতিবেশী আমরা কখনো তার বাড়িতে যাই না বাদ সেও আমাদের কারো বাড়িতে আসে না কোন অতিথি পর্ব বা কোনো অনুষ্ঠানেও সেকেন্দার ফকির কারো বাড়িতে যায় না।

আমরাও সেকেন্দার ফকিরের বাড়িতে যাই না। তবে আমরা জানি সে জ্বীনের বাদশা এবং বিভিন্ন ফকরালি করে জীবন চালায় প্রতিবেশি মোঃ জুয়েল জানায়ঃ হামরা জানি তার কাছে জয়নাল বাবা জ্বীন আছে,হামাঘেরে সেকেন্দার ফকির অনেক বছর আগে হিনি ফকরালি করে আসিচ্চে অনেক কিছুই তো ভালো করে দেয় বলে শুনি তবে এলাকার লোকের কোন কাম করে না!

গ্রামবাসিরা আরও জানায় সম্প্রতি পাশের গ্রাম দাউদপুর কর্নীপাড়া গ্রামের গরীব দিনমজুর মোঃ আব্দুল মান্নান এর স্ত্রী আইনুর বেগমের ঘরে৬ ডাবর টাকা আছে। সেই টাকা সেকেন্দার ফকির তুলে দেওয়ার শর্তে ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে ভুক্তভুগী আইনুরের পরিবার সেকেন্দার ফকির এর বাড়ীতে দিনরাত অনশন করে।

এই প্রতিবেদকরা সেকেন্দার ফকিরের বাড়িতে গেলে সেকেন্দার ফকির দেখেই পালিয়ে যায়।পরে সেকেন্দার ফকিরের স্ত্রী বলেন আমার স্বামী আগে এগুলো করত বর্তমানে এখন করে না।

ভুক্তভুগী মোঃ মান্নান ও তার স্ত্রী আইনুলের অভিযোগ আমার ঘরে ৬,ডাবড় টাকা আছে সেই টাকা তুলে দিয়ে আমার মেয়েকে বড় কোন অফিসারের সাথে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে সেকেন্দার ফকির জয়নাল বাবার ভোগ ও হাদিয়া বাবদ দফায় দফায় আমার কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নেয় প্রতারক জ্বীনের বাদশা সেকেন্দার ফকির। আমি এই প্রতারনা বুঝতে পেরে টাকা চাইতে গেলে আমাকে পুলিশের হুমকি দেয়। পরে আমি আমাদের চেয়ারম্যান এর কাছে মোখিক ভাবে অভিযোগ করেছি। এ ব্যাপারে বড়িয়াহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ তৌফিক জানায় সেকেন্দার আগে প্রতারনা করতো। এ ঘটনা ভুক্তভোগী মান্নার পরিবার আমাকে জানিয়েছে ঘটনার সত্যতাও পাওয়া গেছে আমি দ্রুত এর ব্যবস্থা করবো।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com