Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ার আদমদীঘির পাড়া-মহল্লায় স্বেচ্ছায় লকডাউন

266

হাবিব আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে করোনাভাইসের সংক্রমণ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে স্থানীয় প্রশাসন নানা নির্দেশনা দিলেও তা খুব একটা আমলে নেয়নি সাধারণ মানুষ। তবে গত দুই দিনে করেনাভাইসের ভয়াবহতা বুঝতে পেরে সচেতন হচ্ছেন তারা। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে সান্তাহার পৌর শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও উপজেলার গ্রামের রাস্তার মোড়ে মোড়ে অঘোষিত লকডাউন শুরু হয়েছে। উপজেলাজুড়ে যেন এখন একই চিত্র।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার প্রবেশ পথে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেট দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাইরে থেকে আসা মানুষের যাতায়াতও সীমিত করছে এলাকাবাসী। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছেন না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মহল্লাবাসীরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ঝুঁকি এড়াতে এই পদপে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং স্ট্যান্ডে হাত ধোয়ারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়াতে না পারে। অদ্য বুধবার সকালে সান্তাহার পৌরসভা এলাকায় যুগীপুকুর মহল্লায় গিয়ে দেখা যায়, সান্তাহার সাইলো সড়কের টহল পুলিশ বক্সের সামনে তিনমাথায় বাঁশের বেড়া দেওয়া হয়েছে। ফলে সান্দিড়া, দমদমা, করজবাড়ী, কদমা, কাজীপুর, তারাপুরসহ ১০/১৫টি গ্রামের গাড়ি চলাচলা বন্ধ হয়ে গেছে। শুধু তাই নয় উপজেলার নশরতপুর কলেজ গেইট, সান্তাহার পোঁওতা, তিয়রপাড়া, সাঁতাহার, পাথরকুটা এলাকাগুলোতে গিয়ে একই চিত্র দেখা যায়। পুলিশের সহায়তায় এসব জায়গায় কোথাও বাঁশের বেড়া আবার কোথাও বড়-বড় টুল বসিয়ে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।

এসব জায়গায় অবস্থানরত বেশ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী যুবক জানান, বিনা প্রয়োজনে কেউ যেন বাইরে যাতায়াত করতে না পারে। এজন্য তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছেন। বহিরাগতরা কেউ যেনো অবাধে এলাকায় চলাচল করতে না পারে সেজন্যই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জরুরি মুহূর্তে এসব গেইট খুলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তারা।
সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আনিছুর রহমান জানান, সান্তাহার নিরাপদ রাখতে পৌর শহরের প্রবেশদ্বারসহ বিভিন্ন স্থানে বাঁশ দিয়ে সড়ক আটকে দিয়েছে স্থানীয়রা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।আর এ কাজে স্থানীয়দের সহযোগিতা করছে পুলিশ। তবে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাড়ি চলতে দেওয়া হবে না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.