Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ার গাবতলীতে সিরাজুল হত্যা মামলার ৪জন আসামী গ্রেফতার

743

 

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীতে সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলার ৪জন আসামীকে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম (বার) এর দিক নির্দেশনায় এবং ডিবি’র ওসি আসলাম আলী পিপিএম এর নির্দেশে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি অফিসের পরিদর্শক জাহিদুল হক এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গত বুধবার রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো জেলার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বামুনিয়া পোদ্দারপাড়া গ্রামের মৃত লাল মিয়া মোল্লা’র ছেলে বাবু মোল্লা (৪৫), মোস্তাফিজার রহমান মোল্লা (৩৮), মোখলেছার রহমান মোল্লা (৩০) ও পাশর্^বতী আটবাড়িয়া গ্রামের আলেক উদ্দিন শাহ’র ছেলে মিনারুল ইসলাম (২২)। গ্রেফতারকৃত ৪জনকেই গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে তাদেরকে ৭দিনের রিমান্ডে নেয়ার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি অফিসের পরিদর্শক জাহিদুল হক আদালতে আবেদন করেছেন। এ ছাড়া আরেক আসামী পায়েল মিয়া (২৩) গত ৯জুলাই আদালতে আতœসম্পন করলে তাকেও ৭দিনের রিমান্ডে নেয়ার জন্য ডিবি পুলিশ আদালতে আবেদন করলে শুনানীন্তে গত বুধবার (২২জুলাই) আদালত ২দিন রিমান্ড মন্জুর করেন। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বগুড়া ডিবি অফিসের পরিদর্শক জাহিদুল হক এর সাথে কথা বললে তিনি উপরোক্ত তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, সিরাজুল হত্যা মামলার মোট ১১ আসামীর মধ্যে ৯জন আসামীই গ্রেফতার হয়েছে। তিনি আরো বলেন, বাকী ২জন আসামীকেও গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। উল্লেখ্য, বামুনিয়া পোদ্দার পাড়া গ্রামের মৃত আনছার আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উভয় পক্ষের আদালতে মামলাও রয়েছে। জমির এই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১৯জুন সকালে সিরাজুলের সঙ্গে ঝগড়াও হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সিরাজুলকে মারার জন্য ধাওয়া করে চাচাতো ভাইরা। এ সময় সিরাজুল অটো ভ্যান নিয়ে কৌশলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। ওইদিন রাত প্রায় ৮টায় সিরাজুল বামুনিয়া থেকে কাগইলের দিকে যায়। তারপর থেকে সিরাজুল আর বাড়ী ফেরেনি। পরের দিন সকালে গ্রাম্য পুলিশসহ স্থানীয়রা তেলকুপি তিনমাথা মোড়ের পুর্ব পার্শে^র একটি কলাক্ষেতে সিরাজুলের গলা কাটা লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে দেন এবং ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষনিক ৩জনকে গ্রেফতার করেন। এ দিকে হত্যা মামলার আসামীরা ঘটনার রাতেই গরু ছাগলসহ অন্যান্য মালামাল সড়িয়ে ফেলে বলে বাদী পক্ষ জানায়। এ ঘটনায় নিহতের মা রুলি বেওয়া ওরফে সুন্দরী বাদীনি হয়ে গত বছরের ২০জুন ১১জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তকারী অফিসার ছিলেন থানার এসআই সুজাউদৌলা সুজা। পরে মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে দেয়া হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com