Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ার বারপুরে বখাটেদের উৎপাত  বৃদ্ধি; বিপাকে অভিভাবক ও ছাত্রীরা

374

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি ঃ বগুড়া সদরের নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারপুরস্থ আলহাজ¦ আব্দুল করিম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্র্যাক আয়োজিত যৌন নির্যাতন বন্ধে মেয়েদের জন্য নিরাপদ নাগরিকত্ব শির্ষক আলোচনা সভা ও কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপের কমিটি নির্বাচন বুধবার সকালে বিদ্যালয় এর হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তানজিলা শিরিন এর সভাপতিত্বে উক্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন ব্র্যাকের সিনিয়র জেলা ব্যবস্থাপক জেলালুর রহমান, শরিফুল আলম, মহাস্থান প্রেসক্লাব এর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শাফায়াত সজল, উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই এরশাদ আলী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম সুইট, জাহাঙ্গীর আলম, নাছিমা বেগম, শিক্ষক প্রতিনিধি রেজাউল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, সমাজ সেবক আব্দুল হামিদ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নাসিমা আক্তার জুইঁ, ছন্দা খাতুন সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় ছাত্রীরা তাদের বক্তব্যে স্কুলে আসার সময় বখাটে ছেলেদের বিষয়টি তুলে ধরে এবং তারা সকল শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ে আসা বা যাওয়ার সময় যৌন নির্যাতনের স্পটগুলো চিহ্নিত করে একটি ম্যাপ তৈরী করেন। ম্যাপে শিক্ষার্থীরা স্পটগুলোকে লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করেছে। ছাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ে আসার সময় এবং ছুটির পর বাসায় যাবার সময় বগুড়া-নামুজা রোডের পাকা রাস্তায় বারপুর দক্ষিনপাড়ার কিছু মোটর সাইকেল আরোহী বখাটে যুবকদের যৌন হয়রানীর শিকার হচ্ছেন সবচেয়ে বেশী। এসময় বখাটেরা তাদের দেখে বিভিন্ন রকম বাজে শব্দ ব্যবহার থেকে শুরু করে খারাপ অঙ্গভঙ্গি করে থাকে যা তাদের শিক্ষাগ্রহনের অন্তরায়। এদের বেপোরোয়া মোটর সাইকেল চালানোতে যেকোন সময় ঘটতে পারে দূর্ঘটনাও।
তাদের তৈরী ম্যাপে দেখা যায়, বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি এ্যান্টিকের দোকানে, বারপুর সোনারপাড়ায় অবস্থিত একটি মনোহারী দোকানের পাশে ক্যারাম বোর্ড খেলার দোকান. নুনগোলা হাটের আমবাগানের সামনে, বিদ্যালয়ের পিছনে দশটিকার রাস্তার পার্শ্বে মেশিন ঘর, রাডার মোড়ে অবস্থিত দোকানগুলোর সামনে, বারপুর পাচঁবাড়িয়া মোড়ে, বারপুর ডাক্তারপাড়ার মধ্য দিয়ে এসওএস যাওয়ার পাকা রাস্তার উপর, মুন্সীর আমবাগানের পিছনের পাকা রাস্তায়, বারপুর স্কুলপাড়ার পাকা রাস্তার উপর, বারপুর লাইলীপাড়া সংলগ্ন বালুর মাঠ ইত্যাদি।
এসব বখাটেরা দলবদ্ধভাবে অবস্থান করে বলে জানায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা। তারা উপস্থিত সকলের ও প্রশাসনের সাহায্য কামনা করে বলেন, এসব বখাটেরা অনেক সময় ছাত্রীদের পিছু নেয়, চায় মোবাইল নাম্বার কিংবা ফেসবুক আইডি, অনেকে আবার তাদের দেখলে শুরু করে কুরুচিপূর্ন গান। যারা রাজি না হয় তাদের শুনতে হয় অশ্রব্য ও অশ্লীল ভাষা।
এব্যাপারে উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) আমবার হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “আমি এই ফাঁড়িতে নতুন যোগদান করেছি। তাছাড়া বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। এই বিষয়ে কেউ আমার কাছে মৌখিকভাবেও কোন অভিযোগ করেনি। বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে বখাট

Leave A Reply

Your email address will not be published.