Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের চিত্র,নজর কেড়েছে সকলের

472

সুন্দর কে সবাই পছন্দ করে । বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সৌন্দর্য বাড়াতে অনেক প্রাচীন নিদর্শন কারুকাজ করে পানির ফোয়ারা স্থাপন, পুরো চত্বর টাইলস্ বসানো ও লাইটের ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন উন্নয়নে বদলিয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চিত্র। ফোয়ারা নির্মান ও টাইলস্ বাসানোর পাশাপাশি চত্বরের পার্শ্ববর্তী জড়াজীর্ন অফিস গুলোতে মেরামতের মাধ্যমে রং করা, একই রকম সাইনবোর্ড টাঙ্গানো, এবং পুরো চত্বর পরিষ্কার করার ফলে উপজেলা পরিষদটি এখন সুন্দর ও আকর্ষনীয় হয়ে উঠেছে। এটি এখন সকল মানুষের নজর কেড়েছে। এসব উন্নয়ন কাজে অবদান রেখেছেন জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ রিজু ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আলমগীর কবির। তাদের এই মহৎ উদ্যোগকে এলাকাবাসী স্বাগত জানিয়েছেন। বিশেষ করে দীর্ঘ ৪ মাস যাবত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনা মত বিভিন্ন কারুকাজ করে শিল্পী রানার নিকট থেকে পানির ফোয়ারাটি নির্মাণ করে নেওয়া হয়। বিশেষ করে পানির ফোয়ারা স্থাপনের কারনে উপজেলা পরিষদ চত্বরটি পরিচ্ছন্ন হিসাবে ফুটে উঠায় আগত মানুষেরা মুগ্ধ হয়েছেন। কিছু দিন আগে একটু বৃষ্টি হলেই উপজেলা চত্বরের মৎস্য, সমবায় ও সমাজসেবা অফিসের বারান্দায় পানি উঠে নানা সমস্যা সৃষ্টি হতো। তাছাড়া পরিষদের সভাকক্ষের রাস্তায় পানি ও কাদার কারনে মসজিদে যেতে মুসল্লিদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। উপজেলায় উন্নয়ন হয়েছে ঠিকই কিন্তু পরিষদ চত্বরের পূর্ব পার্শ্বের কিছু অংশ কাঁচা থাকায় সেখানে পানি জমে অপরিষ্কার থাকত। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ আলমগীর কবির এ উপজেলায় যোগদানের পর ক্রমান্বয়ে উন্নয়ন করতে শুরু করেন। এরপর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজুর পরামর্শক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এর অর্থায়নে মাত্র ১১ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা ব্যয়ে পানির ফোয়ারা স্থাপন করা হয়। এই পানির ফোয়ারার সৌন্দর্য বাড়াতে পুরা পরিষদ চত্বর টাইলস্ বসানো ও লাইটের ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন উন্নয়নে অবদান রাখায় জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু ও অভিজ্ঞ উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মোঃ আলমগীর কবিরকে এলাকার মানুষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। এলাকাবাসী বলেছেন, যারা উন্নয়নে অবদান রাখবেন, একদিন তারা থাকবেন না, কিন্তু থাকবে শুধু তাদের উন্নয়নের ছোয়া।এলাকার সচেতন মানুষেরা বলছেন, এ উপজেলায় একটি ল্যাইব্রেরীর খুব প্রয়োজন। কারন বই জীবনের সবচেয়ে ভালো বন্ধু।এলাকার বেশকিছু যুবক নেশার জগতে হাবুডুবু খাচ্ছে। এদের কেউ কেউ নেশাকে বন্ধু করে নিয়ে অকালে ধুকে ধুকে মরছে। যদি ভালো একটা পাঠাগার থাকতো, তবে কিছু শিক্ষিত যুবক বই পড়ে সময় কাটাতে পারতো। তারা বলেন আমরা শুনেছি সরকারী ভাবে গণপাঠাগার করা হয়েছে। কিন্তু এই পাঠাগারটিতে এখন অফিসার্স ক্লাব করা হয়েছে। তাই পাঠাগার স্থাপন করে নেশার বন্ধুদের বই পড়ানোর বন্ধু বানাতে হবে এজন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। 

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ রিজু বলেন, সবাই জানে উপজেলা পরিষদে আলাদা কোন বরাদ্দ নেই। তবে আমার চেষ্টা আছে উপজেলা পরিষদে চোখে পড়ার মত কিছু উন্নয়ন করার।এজন্য সকলের সহযোগিতা চাই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবির বলেন, আমি এখানে যোগদান করার পর দেখলাম এটি একটি ঐতিহাসিক উপজেলা। এখানে প্রাচীন সাংস্কৃতি ও অনেক নিদর্শন রয়েছে। পুন্ড্রনগর, ভাসুবিহার, বেহুলার বাসরঘর, মহাস্থান জাদুঘর, গোবিন্দভিটা, বৌদ্ধবিহার, সহ আরো অনেক নিদর্শন আছে। এই নিদর্শনগুলো দিয়ে ফোয়ারা নির্মাণ করা হয়েছে। এটি সকলকে ভাল লাগলে আমাকেও ভাল লাগবে। আমি যত দিন আছি সকলের সহযোগিতা নিয়ে উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.