Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়ায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর জোরপূর্বক বিয়ে, গ্রেফতার ৩

365

 

বগুড়ার সোনাতলায় ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে জোরপূর্বক বিয়ে করার অভিযোগে বরসহ ভুয়া কাজী ও স্কুল শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

এলাকাবাসী ও থানা সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাড়া গ্রামের হাফিজার রহমানের মেয়ে ও বয়ড়া কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেনির ছাত্রী হানুফা আকতার (১৩)-কে একই এলাকার গোসাইবাড়ী গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০) অপহরণ করে তার খালারবাড়ি গোসাইবাড়ীতে নিয়ে যায়। এরপর জোরপূর্বক গতকাল রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১০টার সময় ওই স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করে রেজিষ্ট্রি করার প্রস্তুতির সময় পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়ি ঘেরাও করে ফেলে।

এসময় মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা কৌশলে সটকে পড়লেও পুলিশ বর রফিকুল ইসলাম ও ভুয়া কাজী ও স্কুল শিক্ষক গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর তেলিহাটা মধ্যপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান ফুল মাষ্টার (৫২)-কে গ্রেফতার করে। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- রফিকুল ইসলামের খালাতো ভাই রকি মিয়া (৩৫), আমিনুল ইসলাম (৬০), আব্দুল মজিদ (৫৫) ও কামাল শেখ (৩০)।
এ ব্যাপারে স্কুলছাত্রী হানুফা আকতারের বাবা হাফিজার রহমান বাদি হয়ে ৬ জনকে আসামি করে সোনাতলা থানায় গতকাল রবিবার রাতেই একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ গ্রেফতারকৃত বর রফিকুল ইসলাম ও ভুয়া কাজী ও স্কুল শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান ফুল মাষ্টারকে আজ সোমবার জেলহাজতে প্রেরণ করে।
বগুড়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তহমিনা খাতুন জানান, একজন সরকারি চাকরিজীবি এ ধরনের কাজে জড়িত হতে পারে না। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মাসউদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বর ওই স্কুলছাত্রী প্রকৃতির ডাকে সারা দিতে গিয়ে অপহৃত হয়। এরপর অভিযুক্ত আসামিরা ওই স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে। এরপর রফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগিরা গতকাল রবিবার রাতে বিয়ের পর রেজিষ্ট্রি করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তাদের আটক করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com