Ultimate magazine theme for WordPress.

বগুড়া হোটেল নাজ গার্ডেনে ভ্রাম্যমান আদালতের ঝটিকা অভিযান ৩৩ জন আটক।

401

 

বগুড়ায় চার তারকা হোটেল ,তিন তারকা হোটেল সহ বিভিন্ন আভিজাত হোটেলে রাতের আধারে চলছে অনুমোদন বিহীন জমকালো মদের আসর । এসব আসরে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে অপ্রাপ্ত বয়স্করা ভীর বাড়ছে অন্যদিকে অনুমোদন বিহীন গ্রাহকদের ভীর দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
এমনি ঘটনায় প্রথমবারের মত বগুড়ায় অনুমোদিত (পারমিট) ছাড়া মদ পান করায় চার তারকা হোটেল বারে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৩৩ যুবকের বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১লা জুলাই (রবিবার) রাত ৯টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত এক অভিযান কালে শহরের ছিলিমপুরে অবস্থিত চারতারকা হোটেল নাজ গার্ডেনের বারে এই অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত ।

বগুড়া জেলা প্রশাসন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ওই ৩৩জন যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে জেল ও জরিমানা প্রদান করেন।

অভিযানে হোটেল নাজ গার্ডেন বারে ৩৬ জন উপস্থিত ব্যক্তির মাঝে অনুমোদন (পারমিট) ছাড়াই মদ ক্রয় ও পান করায় ২৩ জনকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে অপর ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক ।
এছাড়া মদ বিক্রির শর্ত ভঙ্গ করায় হোটেল বার ম্যানেজার শোয়েব আহমেদ দুলুকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় ।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলো- শহরের চেলোপাড়ার রফিকুলের ছেলে আতিকুর রহমান সমুন (২৪), কর্ণপুর মধ্যপাড়ার নুর হোসাইনের ছেলে রাব্বি (২০), খান্দার এলাকার গোলাম রহমানের ছেলে মো: ফেরদৌস (২৮), ঠেঙ্গামারা গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে নাইম ইসলাম (২০), সইফুর রহমানের ছেলে নাসির উদ্দিন (২০), মালগ্রামের মো: মনজুর রহমানের ছেলে সবুজ ইসলাম (৩৮), শেরপুর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে মো: তুহিন (২০) জয়পুরহাট জেলা সদরের শহিদুল ইসলামের ছেলে মো: সাফায়াত (২৫) ও পাচঁবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মো: শুভ (২০)।

অভিযানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মফিদুল ইসলাম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মো: জাফরুল্লাহ কাজল, মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর বগুড়ার ইন্সপেক্টর মুহা শাহজালাল ,বগুড়ার উপ পরিচালক দিলারা রহমান সহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের উপ পরিচালক দিলারা রহমান জানান, আইন অনুযায়ী ২১ বছরের নিচে এবং পারমিট ছাড়া কোন বাংলাদেশী মুসলিম নাগরিক অনুমোদিত বার থেকে মদ কিনতে এবং পান করতে পারে না। একই ভাবে বার কর্তৃপক্ষ বার কোডের নিয়মানুযায়ী কোন পারমিট ছাড়া ২১ বয়সের নিচে এবং পারমিট ছাড়া কারো কাছে মদ সরবরাহ করতে পারেনা । তিনি আরো জানান , হোটেল নাজ গর্ডেন কর্তৃপক্ষ সরকারী নিময়নীতি উপেক্ষা করে অনুমোদন বিহীন এবং অপ্রাপ্ত যুবাদের কাছে নিয়মিত ভাবে মদ সরবরাহ করছেন এমন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে ।
অভিযানে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পারমিট ছাড়া যাদেরকে পাওয়া গেছে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করেছেন। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.