Ultimate magazine theme for WordPress.

মওদুদ আহমেদ নাকি ভাঙ্গা খাট নিয়ে ফ্লোরে থাকছেন, যেন এক হাসির নাটক-সেতুমন্ত্রী

1,542

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি ::

মওদুদ আহমেদ বলছেন তিনি নাকি ফুটপাতে থাকবেন। সবাই জানেন মওদুদ আহমেদ ক্ষমতায় থাকাকালীন অবস্থায় তিনি প্রাসাদ বানিয়েছেন। তারপরও তিনি বলছেন তিনি ফুটপাতে থাকবেন। বর্তমানে মওদুদ আহমদের একটি বাড়ী বিদেশীদের কাছে ভাড়া দেয়া আছে। ওই বাড়ী থেকে তিনি প্রতি মাসে ৪ লাখ টাকা ভাড়া পান। তিনি বর্তমানে যে বাড়ীতে আছেন সেটাও একটা বিলাস বহুল বাড়ী। মওদুদ আহমদ ভাঙ্গা খাট নিয়ে ফ্লোরে থাকছেন এটা যেন এ বছরের সেরা হাসির নাটক। শুক্রবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নিজ নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌর মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন।

এসময় মন্ত্রী বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাংলাদেশে জনগনকে সঙ্গে নিয়ে এখন আন্দোলন করার মত কোন বস্তুগত পরিস্থিতি বিরাজমান নেই। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীদের ঘরের ছাল, পুকুরের মাছ লুটপাট করে নিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী বাড়ী ঘরে থাকতে পারেনি বিএনপির কর্মীদের অত্যাচার নির্যাতনে। এটা মাথায় রেখে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকতে হবে। বিএনপি যদি আবারও ক্ষমতায় আসে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজেই দল করলে হবে না। আপনাদের ঘরের মহিলাদেরকে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য বলতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াতের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী,  জেলা প্রশাসক মাহবুবুল আলম তালুকদার পুলিশ সুপার মোঃ ইলিয়াস শরীফ, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি খায়রুল আনাম চৌধুরী সেলিম, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভেকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল প্রমূখ।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। কোন সহায়ক সরকারে অধীনে নির্বাচন হবে না। নির্বাচন পরিচালনা করবেন নির্বাচন কমিশনার। সরকার শুধু নির্বাচন কমিশনারকে সহযোগিতা করবে। ওই সময় সকল আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নির্বাচন কমিশনারের অধিনে থাকবে। সেনাবাহিনীর যে ভূমিকা এটা নির্দিষ্ট করা আছে। যেখানে প্রয়োজন হয় সেখানে সেনাবাহিনী স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে নির্বাচন কমিশনারের কথা মতে। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারের কিছুই করা থাকবে না। সকার শুধু রুটিন ওয়াক রুটিন ওয়ার্ক কাজ করবে। চলমান কাজগুলো সকার করবে। নতুন কোন মেজর পিলিসি সরকার করবে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দাগনভূঞা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, উপজেলা যুবলীগ সাধারন সম্পাদক প্রভাষক গোলাম সারওয়ার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি নুরুল করিম জুয়েল, স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্না প্রমূখ।

 

কায়ছার হামিদ পাপ্পু/এ.বি.সি পাবেল

Leave A Reply

Your email address will not be published.