Ultimate magazine theme for WordPress.

রপ্তানি বন্ধে,সুযোগ নিচ্ছে হিলির পেঁয়াজ আমদানি কারকরা

328
 কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ টাকা। ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সাথে সাথে হিলিতে দাম বাড়িয়েছে পেঁয়াজ আমদানি কারকরা। এমনটিই বলছে হিলি বাজারের পাইকারী পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পাইকারী বাজারে পেঁয়াজ বেচাকেনা হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে। আবার তা ৪০ থেকে ৪২ টাকা দামে বাজারে বিক্রি করেছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। আজ সকালে তার ভিন্ন চিত্র। পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি। খুচরা ব্যবসাীরা বিক্রি করেছে ৬০ টাকা কেজি দরে।
সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে অতিবৃষ্টি আর বন্যার কারণে সেই দেশে পেঁয়াজের সরবরাহের ঘাড়তি দেখা গেছে। নিজ দেশের পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত সরকার। গতকাল রাত আটটায় চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন ভারতীয় কাস্টমস। আর সাথে সাথে তারি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে হিলির পেঁয়াজ বাজারের ওপর। ঘন্টায় ঘন্টায় বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম।
হিলি বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী মিঠু মিয়া বলেন, পেঁয়াজের কারসাজি আর ভাল লাগছে না।প্রতি ঘন্টায় দাম বাড়ছে। গতকাল সকালে বিক্রি করেছি ৪০ টাকা, সন্ধ্যায় ৫০ টাকা আজ সকালে সেই পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। ক্রেতারা দাম শুনু মাথায় হাত দিয়ে বাজারে দাম যাচাই-বাছাই করে বেরাচ্ছে।
হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে হিলি বাজারের পাইকারী পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম বলেন, পেঁয়াজ আমদানি কারকদের নিকট পেঁয়াজ চাচ্ছি, তারা বলছে পেঁয়াজ নেই। তাদের নিকট পেঁয়াজ আছে, দাম বেশি পাবে বলে আমদানি কারকরা এমন করছে। গতকাল সকালে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। আজ পেঁয়াজ বেশি নেই,এই সামান্য আছে। ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি।
এব্যাপারে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক সাইফুল ইসলামের নিকট পেঁয়াজের দাম জানত চাইলে,তিনি জানান, পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ। আমার নিকট কোন রকম পেঁয়াজ নেই।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com