Ultimate magazine theme for WordPress.

রামকৃষ্টপুর চৌদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঠদানঘর ও শহীদ মিনার পরিত্যাক্ত অবস্থা।

215

শেখ ফরিদ উদ্দিন নন্দীগ্রাম প্রতিনিধিঃ বগুড়া নন্দীগ্রাম উপজেলার ৩নং ভাটরা ইউনিয়নের রামকৃষ্টপুর চৌদিঘী উচ্চ বিদ্যলয়, একটি ঐতিহ্য বাহী ও সুনামধন্য বিদ্যালয়। অত্র রামকৃষ্টপুর চৌদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৮৫ ইং সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে মো: আব্দুল জোব্বার সাহেব ছিলেন। তিনি ১৯৯০ ইং সালে প্রধান শিক্ষকের পদ হতে ইস্তফা দেওয়ার পর জনাব মো: বয়েন উদ্দিন সাহেব প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তার প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি উন্নতির দিকে এগিয়ে যায় এবং ১৯৯৪ইং সালে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি প্রাপ্ত হয়। ১৯৯৬ ইং সালে পাবলিক পরীক্ষা আরম্ভ হয় এবং ১৯৯৭ ইং সালে বিদ্যালয়টি এ,পি,ও ভূক্ত হয়। ২০১১ইং সালে জনাব মো: বয়েন উদ্দিন অবসর গ্রহণ করেন। ২০১১ইং সালে জনাব মো: আকরামুজ্জামান প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে বিদ্যালয়টি সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিদ্যালয়টির পাবলীক পরীক্ষার ফলাফলও সন্তোষ জনক। কিন্তু ১৯৮৫ ইং সালে প্রতিষ্ঠাকালে নির্মিত ভবনটি মাটির তৈরী। বর্তমানে জরাজীর্ন অবস্থায় আছে। সামনে থেকে চাক্যচিক্য ময় দেখা গেলেও ঘরের ভীতরে এবং পিছনে দেখলে বোঝায় যায় ভবনটি ব্যবহার যোগ্য নয়। তাছাড়াও দরজা জানালা ভাঙ্গা, বহিরাগত যে কেউ যেকোন সময় রুমে প্রবেশ করতে পারে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আকরামুজ্জামানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন-‘‘ উক্ত বিদ্যালয়ের ব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে কোন সুরাহা না হওয়ায়,এ রকম অনুপোযী রুমে পাঠদান করতে বাধ্য হচ্ছি”। বর্ষার সময় এভাবে পাঠদান করানো খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। উক্ত মাটির ঘরের ছাদ টিনশেট হওয়ায় এবং টিনগুলোও নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি সরাসরি ক্লাশ রুমে পড়ে। এতে করে শিক্ষাথীদের পাঠদান ব্যহত হয়। অত্র বিদ্যালয়ের সম্মুখে একটি শহীদ মিনার জরাজীর্ন অবস্থায় রয়েছে। উক্ত শহীদ মিনারটি ২০০২ ইং সালে সামন্য কিছু অর্থায়নে নির্মিত হয়, যা বর্তমানে একেবারেই ব্যবহার অনুপোযগী। জনপ্রতিনিধিদের নিকট এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের প্রাণে দাবি বিদ্যালয়ের উক্ত ভবনটি দ্বিতল ভবনে উন্নতি করন ও শহীদ মিনারটি আধুনিকায়ন করা।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.