Ultimate magazine theme for WordPress.

রায়গঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ বিলে অনিয়ম, বিপাকে গ্রাহকরা!

117

মোঃ আঃ আলিম খাঁন-রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :-আ. মতিন,উপজেলার নিমগাছি বাজারে ছোট্ট দোকানী। আগষ্ট মাসের বিল এসেছে ১৫ ইউনিটের বিপরীতে ৩শ ১৪টাকা কিন্তু তার ডিমান্ড চার্জ দেখানো হয়েছে ২শ ৭০ টাকা। সঙ্গে ৯০ টাকা মিটার ভাড়া।

মোঃ আবদুল্লাহ সরকার,পেশায় একজন সংবাদকর্মী। তার বাসায় সোলার প্যানেল আছে,তারপরও তার গড় বিদ্যু বিল সর্বোচ্চ ৮০ ইউনিটের উপরে যায়না কিন্তু গত দুই মাস সহ চলতি মাসে ১শ ৪০ ইউনিট দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ৬ শ টাকার নিয়মিত বিল এখন ১২শ টাকা, ২শ টাকার নিয়মিত বিলের পরিবর্তে ৬ শ টাকা সহ নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এখানকার হাজার হাজার গ্রাহকদের।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এভাবে হাজার হাজার গ্রাহকের নিকট থেকে করোনাকালীন সময়ে ঘরে বসে বিদ্যুৎ বিল তৈরী করে জনগনের পকেট কাটা শুরু করেছে স্থানীয় ভুইয়াগাতী জোনাল অফিস।

গ্রাহকরা অভিযোগ করে বলেন, এখানকার ডিজিএমের নিকট অভিযোগ নিয়ে গেলে তিনি মুখস্থ বিদ্যার মত গ্রাহককে টেকনিশিয়ান কথাবার্তা শুনিয়ে দেন নিয়মিত।

তাদের কথা ও কলমের ভেল্কিবাজিতে আমরা অতিষ্ট।

জানা গেছে, স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎতে বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ। সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক শতভাগ লক্ষমাত্রা অর্জনে কাজ করার লক্ষ্য তারা খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন। কিন্তু এ যাবৎ নতুন পুরাতন প্রতিটি গ্রাহকই বিল নিয়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ভুতরে বিলে তৈরি করে গ্রাহকদের নিকট থেকে। অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রতিদিন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রাহকরা তাদের বিদ্যুৎ বিল বেশি কেন উঠছে এমন সমস্যা নিয়ে হাজির হচ্ছে অফিসে। কিন্তু কেউই এর সমাধান না দিয়ে আগে বিল দেয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন এখানকার কর্মকর্তা- কর্মচারীরা।

অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের নিকট থেকে বছরের পর বছর বকেয়া বিল আদায় করতে না পারায় সেই টাকা জোন অনুযায়ী অপেক্ষাকৃত দুর্বল গ্রাহককে চিন্হিত করে তাদের বিলে এমন ভুতরে বিল সংযোজন করে সেই অনাদায়ী টাকা কৌশলে উত্তোলন করে যাচ্ছে। মুলতঃ সিষ্টেম লসটাকে পুষিয়ে নেয়র জন্য।

ভুক্তোভোগী আওয়ামীলীগ নেতা আল- মাসুদ বলেন, গত কয়েক মাস দিয়েছি এক বিল এখন গুনতে হচ্ছে দ্বীগুনেরও বেশি। বলছে আগামী মাস থেকে ঠিক হয়ে যাবে।

জামতৈলের সখীতন বেগম বলেন, ৪০/৫০ ইউনিটের জায়গায় ১৬৫ ইউনিট দিয়ে বিল তৈরি করেছে। অভিযোগ দিলাম কিন্তু কিছুই বলে না।

গুনগাতী গ্রামের ইসমাইল বলেন, একই বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও গত তিন মাস গুনতে হচ্ছে দ্বীগুন বিল। অফিসে এর কোন সমাধান পাওয়া যায় না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক টেকনিশিয়ান বলেন, যে মিটার গ্রাহক পাচ্ছে এই মিটারগুলোই সমস্যার মুল কারণ। নামে ডিজিটাল হলেও ভিতরে টেকনিক্যাল কারচুপির সিষ্টেম করা আছে যার কারণে গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়ছে।

এমন ভুতরে বিলে কেন এই অঞ্চলের গ্রাহকরা হয়রানীর শিকার হচ্ছেন এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম আঃ কুদ্দুস প্রথমত তাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের দেয়া অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন,

কিছু কিছু মিটারে সমস্যা থাকতে পারে, তবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বলেই বিল বেশী আসে। পল্লী বিদ্যুৎ এর জন্য দায়ী নয়। তাদের বিরুদ্ধে গ্রাহকের দেয়া অভিযোগগুলো আবারও অস্বীকার করেন তিনি।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com