Ultimate magazine theme for WordPress.

শিক্ষার্থী/অভিভাবক জিম্মি কোচিং ও নির্ধারিত সহায়ক গাইড বই নিয়ে

441

উজ্জল হোসেন  নামুজা বগুড়া থেকেঃ প্রতিটি সন্তানের মেধার বিকাশ যখন নির্ধারিত সহায়ক নিম্ন মানের চুক্তিবদ্ধ প্রকাশনীর গাইড বই ও এছাড়াও ভাল ফলাফল প্রত্যাশী অভিভাবকের 

সারাদেশে কোচিং বাণিজ্যের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে জিম্মি করে ফেলা ভাবনার সত্যিই দিক । সম্প্রতি কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রায় পিছিয়ে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।
নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক ১০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট টিউশন দিতে পারে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তারা এটা করতে পারে না। এটা প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।বাংলাদেশ সরকারের উদার শিক্ষানীতির আলোকে দেশ কে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করতে সরকার নানা মুখী কর্মসুচী গ্রহণ করেছে। কিন্তু সেখানে কিছু অর্থলোভী শিক্ষক তার নিজস্ব মতামতের ভিত্তিতে ব্যক্তি স্বার্থে নিম্নমানের প্রকাশনীর সহায়ক গাইড বই ক্রয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালনের সরজমিনে গিয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে।কোচিংয়ে গিয়ে শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পাস করছে, কিন্তু শিক্ষিত হচ্ছে না। কারণ ক্লাসরুমে শিক্ষা দেয়া হয়। শিক্ষক সম্মানী পায় ক্লাসে শিক্ষা দেয়ার জন্য, কোচিং তার পেশা নয়।প্রাইভেট টিউশনকে নীতিমালায় অনুমোদন দেয়া আছে, কোচিংকে নয়। এক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বললে তিনি বলেন নেগেটিভ দিক নয়, পজেটিভ দিক তুলে ধরুন। যদি কোন শিক্ষকের বক্তব্য এমনটি হয় তবে সহায়ক গাইডের চুক্তি কতটুকু যুক্তিগত বলে আপনি মনে করেন। শিক্ষাখ্যাতের নানা অনিয়ম বন্ধে সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ জরুরী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.