Ultimate magazine theme for WordPress.

শিবগঞ্জে ধানের দাম না থাকায় জমছে না ঈদের কেনা কাটা!

304

স্টাফ রিপোর্টা সাজু মিয়াঃ খাদ্যশস্যের ভান্ডার হিসাবে পরিচিত বগুড়ার শিবগঞ্জে শুরু হয়েছে ইরি ব্যুরো ধান কাটা ও মাড়াই। উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে উপজেলার কৃষাণ কৃষানী। এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফসল বাম্পার হলেও ধান কাটা শ্রমিক সংকট ও ধানের দাম কম থাকায় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা। সময় মতো ধান বিক্রি করতে না পারায় তারা ঈদের কিনাকাটা শুরু করতে পারছে না। স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের চেয়ে এবার ধান কাটা শ্রমিকের মূল্য দ্বিগুণ। পক্ষান্তরে গত বারের চেয়ে এবার ধানের মূল্য কম। গত বছর কাটারী ভোগ ধান বিক্রি হয়েছে ৮০০ -৯০০ টাকা মণ, এবার তা বিক্রি হচ্ছে ৬৫০-৭৫০ টাকা মণ। আবার মিনিকেট ধান গত বছর ৭০০-৮০০ টাকা বিক্রি হলেও এবার ৫৫০-৬০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একই দামে বিআর -২৮ ধান বিক্রি হচ্ছে। হাইব্রিডসহ অন্যান্য মোটা ধান গত বছর বিক্রি হয়েছে ৬০০-৭০০ টাকা, এবার তা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫০০ টাকা। এক বিঘা ধান কাটতে গত বছর খরচ হয়েছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শত টাকা, এবার খরচ হচ্ছে ৩ হাজার ৫শত থেকে ৪ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা ধান উৎপাদন করে কৃষকের ক্ষতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫শত টাকা, আবার বর্গা চাষীদের প্রতি ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এদিকে শিবগঞ্জে সরকারি ভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় শুরু হলেও কোন প্রচার প্রচারণা না থাকায় কৃষকরা তা জানেই না। আবার অনেকেই নানা ঝামেলার কারণে সরকারি ভাবে ধান বিক্রি করতে চায় না। পৌর এলাকায় কৃষক তোজাম্মেল হোসেন তজো বলেন, রোদে পুরে বৃষ্টিতে ভিজে পরিশ্রম করে ধান উৎপাদন করে আমরা তার বিনিময়ে কী পাচ্ছি? এক মণ ধান বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংস কিনতে পারছি না। কৃষক হাফিজুর রহমান বলেন, সরকারি ভাবে প্রতিটি ইউনিয়নে হাট-বাজারে ধান ক্রয় করলে কৃষক উপকৃত হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.