Ultimate magazine theme for WordPress.

শিবগঞ্জে ভূমিদস্যু সবুজ কর্র্তৃক ১ বছর যাবৎ মাটি ও বালু উত্তোলন করায় রাস্তা-ঘাট হুমকির মুখে পড়লেও দেখার কেউ নেই

স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা 

443

সাজু মিয়া শিবগঞ্জঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চক-কানু গ্রামের ভূমি দস্যু সবুজ ও হাসান কর্তৃক ১ বছর যাবৎ ২০ বিঘা কৃষি জমি নষ্ট করে অবৈধ ভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন করায় এলাকা হুমকির মুখে পড়লেও দেখার কেউ নেই। 

জানা যায়, হরিপুর এলাকার মোকামতলা- জয়পুরহাট সড়ক থেকে ১শ গজ দুরে চাককানু গ্রামে ১৮/২০ বিঘা কৃষি জমি নষ্ট করে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বালু ও মাটি স্থানীয় এম.এস.টি ভাটায় বিক্রি করছে, ঐ এলাকার প্রভাবশালী জাহেদ আলীর ছেলে সবুজ ও আত্তাব আলীর ছেলে হাসান। এর ফলে এলাকাটি গভীর খাদে পরিনিত হওয়ার পাশপাশি চরম হুমকির কবলে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে যে কোন সময় রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হুমকির মুখে পরে হারাতে পারে তাজা প্রান।
নাম প্রকাশ না করার সত্বে¡ এলাকার কয়েক জন সচেতন ব্যক্তি বলেন সবুজ ও হাসান ১ বছর যাবৎ মাটি ও বালু তুলে পার্শ্ববর্তী ভাটায় বিক্রি করে প্রায় ১ কোটি টাকা অবৈধ ভাবে আয় করলেও স্থানীয় প্রশাসন কেন এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেননি তা তাদের জানা নেই। ঐ ভূমি দস্যুরা এলাকার গাছপালা কৃষি জমি ধ্বংস করে ফেলছে। তারা বলেন বালু ও মাটি উত্তোলনকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। কেউ কিছু বললে তাকে হয়রানি করার হুমকি দেওয়া হয় এ জন্য সবাই নিরব। এভাবেই ভূমি দস্যুরা ১ বছর ধরে বালু ও মাটি বিক্রি করে মোটা অংকের টাকা আয় করছে। এ জন্য কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কে ম্যানেজ করে চলছে। উল্লেখ্য শেষ পর্যন্ত যেন মাঝিহট্ট ইউনিয়নের বালু উত্তোলনের সময় যে ভাবে ২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়ে ছিল সেই ভাবে যেন চক-কানু গ্রামের কাউকে প্রাণ হারাতে না হয়। সেদিকে নজর রাখা উচিত।
এব্যাপারে সবুজ এর সাথে কথা বলা হলে তিনি বলেন সবাইকে ম্যানেজ করে বালু ও মাটি কেটে ভাটায় বিক্রি করছি সুতরাং আমার মাটি কাটা কেউ বন্ধ করতে পারবে না। এ বিষয়ে গ্রামবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহ স্থানীয় প্রশাসনের আশু দৃষ্টি কামনা করছেন

Leave A Reply

Your email address will not be published.