Ultimate magazine theme for WordPress.

শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনা

444

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির জন্য নিঃসংকোচে প্রাণ বিসর্জনের দীক্ষা পেয়েছিলেন জাতির জনকের সংগ্রামী জীবন থেকে। পিতার মতই অসীম সাহসী, দৃঢ়তায় অবিচল, দেশপ্রেম ও মানবিক গুনাবলীসম্পন্ন একজন আদর্শবাদী নেতা হিসেবে শেখ হাসিনা মানুষের কাছে আজ সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় নেতা।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৮১ সাল অবধি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল এমনই অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল যেখানে দমনপীড়ন-শোষণ নির্যাতনে মানুষ ছিল অসহায়। ১৯৮১ সালের ১৭ই মে শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এবং তাঁর প্রতি লক্ষ লক্ষ মানুষের সেই সংবর্ধনা আমরা নিশ্চয়ই বিস্মৃত হতে পারি না। পিতার শোকের সান্ত্বনা তিনি সেদিন এই মানুষের মাঝে দেখেছিলেন এবং মনে মনে স্থির করেছিলেন পিতার অসমাপ্ত কাজ তাকেই সমাপ্ত করতে হবে এবং জীবন দিয়ে হলেও করতে হবে।

জাতির জনকের আদর্শকে ধারন করে বাঙালি জাতিকে আবর্তিত জাতির জনকের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজ দিন-রাত পরিশ্রম করে চলেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা। আজ বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসূরি দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাত ধরে বিশ্বের মানচিত্রে আজ শিক্ষা, স্বাস্থ, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সর্বোপরি আর্থ সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ। সমুদ্রসীমা লাভ থেকে শুরু করে অজস্র সফলতার পালক একে একে যুক্ত হয়েছে দেশরত্ন শেখ হাসিনার সাফল্যের মুকুটে।

নানা উত্থান-পতন সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকন্যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ যে আজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সব সূচকই তার সাক্ষ্য বহন করছে। চার দশক আগে যে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল, সে বাংলাদেশ এখন আর নেই। এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নসহ নানা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার প্রতিবেশীদের চেয়ে এগিয়ে আছে। খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের পাশাপাশি দারিদ্র্য হ্রাসের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সাফল্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিসরে। যারা একদিন এ দেশকে নিয়ে তাচ্ছিল্য দেখিয়েছিল, তারাই আজ প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বিস্ময়কর এ সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কারেও ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে তার সামনে রয়েছে এখন ভিশন ২০২১। এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ‘রূপকল্প-২০৪১’। এর মধ্যেই নিহিত আছে বাংলাদেশকে চূড়ান্ত ধাপে এগিয়ে নেয়ার দর্শন। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে শান্তিপূর্ণ সমৃদ্ধ, সুখী ও উন্নত জনপদ। সুশাসন ও জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এ অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিপ্লবী জীবন থেকে বঙ্গকন্যা দীক্ষা পেয়েছেন যে কিভাবে নিঃস্বার্থে বাঙালির স্বপ্ন সাধ পূরণ করতে নিজের জীবনকে অকপটে উৎস্বর্গ করা যায়। দেশের যেকোন সংকটে কিংবা সম্ভাবনায় মানুষের কাছে একটি আস্থাশীল নাম শেখ হাসিনা। জনগণের এই আস্থা তিনি কথা দিয়ে নয়, কর্ম দিয়ে অর্জন করেছেন।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এরূপ আপোষহীনতা ও আস্থাশীলতার কারণেই বিশ্বের বুকে শান্তিকন্যা শেখ হাসিনা সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর মধ্যে বাংলাদেশকে যেখানে এনে দাঁড় করিয়েছেন, তা এক অসম্ভব সাফল্য, যা অনেক শাসকের কাছেই অকল্পনীয় ব্যাপার। তার কর্মকাণ্ডই চিনিয়ে দেয় তিনি জাতির জনকের কন্যা।

Leave A Reply

Your email address will not be published.