Ultimate magazine theme for WordPress.

সেলাই করা√√√√খোলা মুখ

মম্বসল সাংবাদিকতার একাল-সেকাল

420

 

কনক দেব নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আগেকার ৯০ দশকে বিভিন্ন হাট বাজারে এ কথা গুলো আমরা শুনতাম।

তার পরে তে কি আছে!এসব গুলের ভুসি আছে! এসব গুলের ভুসি খেলে! পেটের ব্যারাম থাকবে না ভাই! থাকবে না!
আবার শুরে শুরে যে সরবত বানাতো সে বলতো দিলাম! দিলাম! সবিতো দিলাম! দিলাম একটু জ্যৈষ্ঠ মধু! এটা ছিলো সেকাল আর আজ একাল! একালে এখন আর এত কিছু লাগে না। একটা ম্যামোরি কার্ডে ডিজিটাল করে হকাররা কার-মাইএো নিয়ে হকারি করছে।

মুল কথায় ফিরে যাওয়া যাক। সে সময় সাংবাদিকতা পেশা ছিলো বিরাট একটা সততা অধিক সহি্সনু, বিনয়ী, চামচামো তেল মারা তখন ছিলো না।মেধা,খাটিয়ে ঘটনার ডাটা-তথ্য উপাও সংগ্রহ করে, ছবি তুলে তার পর বাড়িতে এসে কাগজে নিজ হাতে নিউজ,ক্যাপশন লিখে মোকামতলায় সে সময় বন্ধু ইস্টুডিও তে এসে সাদা-কালো ছবি প্রিন্ট করতে হতো এছারা বিকল্প কোন ব্যবস্থা নাই। সে সময় বগুড়া-মোকামতলা কম্পিউটার তো দুরের কথা।চিন্তা বা স্বপ্নেও কেউ ভাবে না।

এর পর নিউজ লেখা কাগজের সাথে ষ্ট্যাপলিং মেরে উপরে লেখা হতো বার্তা সম্পাদক, দৈনিক দুর্রজয় বাংলা,থানা মোর, বগুড়া। লিখে মোকামতলা বাসষ্টান্ডে এসে পরিচিত যে লোক বগুড়া যাবে তাকে কাকুতি মিনতি করে ৫-১০টাকা হাতে দিয়ে নিউজ পাঠানো হতো নিজ নিজ কর্মরত অফিসে। আর জাতীয় পএিকায় নিউজ পাঠানো হতো টেলিফোন, ফ্র্যাক্য,কুঁড়িয়া এ ছারা কোন বিকল্প রাস্তা নাই নিউজ পাঠানোর জন্য।
সততা নিষ্ঠা উচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তি মহোদয় সম্পাদক/প্রকাশক, বার্তা সম্পাদক, ষ্টাফরির্পোটার ছিলেন। সততার অনু করনীয় মহোদয় গন যারা ছিলেন(চলবে)

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com